দেশের সকল সরকারি চাকরির তথ্য সবার আগে মোবাইলে নোটিফিকেশন পেতে মোবাইলে রাখুন Android App: Jobs Exam Alert 

ইতালির বিপক্ষে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়। ইউরোতে ইতালির কাছে হেরে যাওয়ার পর ইউরো কাপ জয় করতে পারেনি স্পেন। তবে এবার তারা তিন মাস পার হতে না হতেই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল ইতালির বিপক্ষে মধুর জয় পায়। ইতালিকে তাদের ঘরের মাঠেই হারিয়ে নেশন্স লিগের ফাইনালে উঠল স্পেন। 

আগামি রোববার বেলজিয়াম ও ফ্রান্সের ম্যাচের মধ্যে যে দল জিতবে তার সাথে খেলবে স্পেন। আগামি বুধবার রাতে সান সিয়েরায় ইতালির বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় লাভ করে স্পেন। অন্যদিকে নেশন্স লিগের শেষ চারেই যাত্রা থেমে গেল ইউরোকাপ জয়ী ইতালির। 

প্রথমার্ধেই জোড়া গোলে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফেররান তরেস। শেষ দিকে একটি মাত্র গোল শোধ করেন ইতালির লরেন্সো পেল্লেগ্রিনি।

তবে এখানে আর একটি রেকর্ড যোগ হলো স্প্যানিশদের। মিলানের এই মাঠে এবারই প্রথম ইতালিকে হারাল স্পেন। অন্যদিকে হারের ফলে টানা ৩৭ ম্যাচ পর জয় বঞ্চিত হলো রবের্তো মানচিনির ইতালি। যোগ্য দল হিসেবেই ইতালির মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরেছে স্পেন।

ম্যাচে ৭৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছিল এনরিকের শিষ্যরা।গোলের জন্য ১৩টি শট নিতে পেরেছে স্পেন, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। আর স্বাগতিকদের আট শটের পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল। ১৫ মিনিটে মার্কোস আলনসোর ক্রসে পাবলো সারাবিয়ার নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন ইতালির ত্রাতা আলেস্সান্দ্রো বাস্তোনি।

তবে এর দুই মিনিট পরেই সফল হন তরেস। মিকেল ওইয়ারসাবালের এসিস্ট অতোটা দুর্দান্ত না হলেও ঠিকই জালে বল জড়িয়ে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড।

পরের মিনিটে সমতা আনার দারুণ একটি সুযোগ হাতছাড়া করেন লরেন্সো ইনসিনিয়ে। গোলরক্ষককে একা পেয়েও ১২ গজ দূর থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।৪২তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বোনুচ্চি।

এক জন কমে যাওয়ায় খেলায় আরো পিছিয়ে যায় ইতালির খেলা। সুযোগ কাজে লাগায় স্পেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ওইয়ারসাবালের চমৎকার ক্রসে অরক্ষিত তরেস নিখুঁত হেডে খুঁজে নেন জাল।

২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইতালি।দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় ১০ জন নিয়ে অবশ্য দারুণ খেলেছে মানচিনির শিষ্যরা। জাল সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি একটি গোল শোধ করতে পেরেছে। যদিও হারের তেতো স্বাদ নিতেই হয়েছে তাদের।

৮২তম মিনিটে প্রতি আক্রমণে দারুণ এক গোলে ব্যবধান কমায় ইতালি। স্পেনের কর্নার থেকে বল পেয়ে দারুণ গতিতে এগিয়ে যান চিয়েসা। স্প্যানিশ রক্ষণ ভেঙে ঢুকে যান ডি-বক্সে। সিমোনকে এগিয়ে আসতে দেখে বল বাড়ান পেল্লেগ্রিনিকে। জালে বল জড়িয়ে দেন পেল্লেগ্রিনি। বাকিটা সময় স্পেনকে বেশ চাপে রাখলেও সমতায় ফিরতে পারেনি ইতালি।