দেশের সকল সরকারি চাকরির তথ্য সবার আগে মোবাইলে নোটিফিকেশন পেতে মোবাইলে রাখুন Android App: Jobs Exam Alert 

১২ বলে ২৩ রান প্রয়োজন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পরিচিত দৃশ্য। আইপিএল, বিপিএল, সিপিএল কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যে কোনো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শেষ মুহূর্তে এ ধরণের লড়াই খুব জমে উঠতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, এসব ক্ষেত্রে জয়ের পাল্লা ভারি থাকে প্রায় সময় ব্যাটসম্যানের দিকেই।১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ানদের ২৩ রান দরকার ১২ বলে। উইকেটে আছেন ড্যান ক্রিশ্চিয়ান এবং অ্যালেক্স ক্যারে। ক্রিশ্চিয়ান আবার বিশ্বব্যাপি ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলা টি-টোয়েন্টির ঝানু ক্রিকেটার। এসব পরিস্থিতি বেশ ভালোভাবে সামাল দেয়ার দারুণ দক্ষতা রয়েছে তার। যে কারণে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার চাহিদাও আকাশছোঁয়া।

রানের ব্যবধান কমিয়ে আনার জন্য শুধুমাত্র দুটি শটই যথেষ্ট। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অহরহ ঘটে এমন ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ানরা হয়তো সে আশাই করেছিল। কিন্তু তাদের হয়তো জানা ছিল না, বিপরীতে যিনি বল হাতে নিয়েছেন তিনি স্লগ ওভারে খুবই ভয়ঙ্কর এক বোলার।

পারেননি ড্যান ক্রিশ্চিয়ান এবং অ্যালেক্স ক্যারে। যে ওভারটা ম্যাচের জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেটা মূলতঃ মোস্তাফিজের করা ইনিংসের ১৯তম ওভারটি। ১২ বলে ২৩ রান প্রয়োজন। মোস্তাফিজের ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান দাঁড়াল ২২। অর্থ্যাৎ ৬ বলে দরকার ২২ রান।

কী কৃপণ মোস্তাফিজ! কঠিন এমন পরিস্থিতিতেই কি না তিনি রান দিলেন কেবল ১টি! ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালেক্স ক্যারে ১টি রান নিয়েছিলেন। পরের চার বল ড্যান ক্রিশ্চিয়ান শুধু বল ঠেকিয়েই গেলেন। রান নিতে পারলেন না।এই ম্যাচের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করেন তিনি। যদিও কোনো উইকেটের দেখা পাননি তবে মুস্তাফিজের এই বোলিং ছিল মহামূল্যবান।

মাঝে ছন্দ হারানো মুস্তাফিজ আবারও তার সেরা ফর্মে ফেরায় খুশি হয়েছেন লক্ষ্মণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে লক্ষ্মণ লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন। মুস্তফিজকে তার সেরা ছন্দে ফিরতে দেখে খুব ভালো লাগছে। কী অসাধারণ এক বোলিং পারফরম্যান্স! বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রিয় ভক্তদের কথা ভেবেও ভালো লাগছে।’